গননাকারী যন্ত্র হিসাবে computer-এর যাত্রা শুরু। বর্তমান বিশ্বে এর ব্যবহার অত্যন্ত ব্যাপক। এটা ছাড়া সভ্যতা অচল বলা চলে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের নিরলস সাধনার ফসল আজকের আধুনিক computer। আধুনিক computer-এর রুপরেখা তৈরি করেন Charles Babbage । ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্টেরPensilvernia University-এর অধ্যাপক Dr. Mously এবং তার এক ছাত্র তৈরী করেন প্রথম Digital computer । ১৯৭১ সালে আমেরিকার Intel কোম্পানী Micro-processor আবিষ্কারের মাধ্যমে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি সাধন করে। এর ফলে computer-এর আয়তন ছোট হয়ে আসে। টেলিভিশনের মত আকার হওয়ায় ব্যবহারের সুবিধা বেড়ে যায়।
Computer-কে সরলভাবে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়: Analog computer, Digital computer ওHybrid computer.
Digital computer মূলত ৪ প্রকার:
# Micro computer: মাইক্রো বা ক্ষুদ্র processor বিশিষ্ট computer । সাধারণত আমরা এই জাতীয় computer-ই ব্যবহার করি, যেমন: desktop, laptop, netbook, PDA ইত্যাদি।
# Mini computer: Micro computer এর চেয়ে অনেক শক্তিশালী হওয়ায় তার চেয়ে বড় ক্ষেত্রসমূহে ব্যবহৃত হয়।
# Mainframe computer: Mini computer এর চেয়ে অধিকতর শক্তিশালী। সকল high-level programming ভাষা, periferal system, software ব্যবহৃত হয় এতে। গবেষণা, বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়।
# Super computer: সবচেয়ে শক্তিশালী computer এবং সবচেয়ে বড় ধরনের কাজে ব্যবহৃত হয়, যেমন: আবহাওয়ার পূর্বাভাস, satellite নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরক্ষা, জটিল গবেষনা, অস্ত্র ডিজাইন, nuclear চুল্লী,supersonic বিমান তৈরি ইত্যাদিতে।
Computer অনেকগুলো জিনিসের সমন্বয়ে কাজ করে। তন্মধ্যে গুরুত্বপূর্ণগুলোকে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হল:
CPU (Central Processing Unit): সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট হল computer-এর মস্তিষ্ক, যাতে মূলত কোন কাজ সম্পাদিত হওয়ার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় internal hardware (Processor, motherboard, RAM, graphics card, power supply, hard disk etc.) থাকে।Desktop-এর ক্ষেত্রে সাধারণত একটি বাক্সের মধ্যে প্রয়োজনীয় internal hardware-গুলো রাখা হয়, যাকে Chassis/Casing বলে। Input device (keyboard, mouse etc.) এর মাধ্যমে dataযায় CPU-তে, CPU সেই ডাটাকে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াকরণ করে তা output device (monitor, printer etc.) এ পাঠায়, যাতে ফলাফল পাওয়া যায়।
Computer language: মানুষের মত computer-এরও ভাষা আছে, তবে তা ভিন্ন ধরনের।Electronic সংকেতের উপর ভিত্তি করে তৈরি এসব ভাষা। Computer শুধু এটাই বুঝে যে, সার্কিটে বিদ্যুৎ আছে নাকি নাই। বিদ্যুৎ থাকলে 1, না থাকলে 0 দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যাকে Binary পদ্ধতি বলে। এভাবেই কোন শব্দ, চিহ্ন বা যেকোন কিছু computer-কে বুঝানো হয়। মূলত ৩ প্রকার computer languageআছে:
# Machine language: 0 ও 1 কেই machine language বলা হয়। এ ভাষায় লিখিতprogram ব্যবহার করা যায় না।
# Assembly language: 0 ও 1 এর পাশাপাশি এই ভাষায় কিছু সাংকেতিক চিহ্নও ব্যবহার করা যায়।
# Higher language: এই ভাষায় আমাদের পরিচিত বর্ণ, সংখ্যা, বাক্য ইত্যাদি ব্যবহার করেprogramming করা হয়। উচ্চতর ভাষায় দ্রুত ও সহজে program রচনা এবং তা সকল computer-এ ব্যবহার করা যায়। ২৫ টিরও বেশী উচ্চতর ভাষা আছে, যেমন: Basic, Algol, Pascal, Fortran, Cobol, C, C++, Ada, Prolog ইত্যাদি।
Register: একগুচ্ছ Flip-flop আর Gate-এর সমন্বয়ে তৈরি circuit, যাতে 1-bit তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। Gate-গুলো Register-এ নতুন তথ্যের আগমনকে নিয়ন্ত্রণ করে।
Bus: একগুচ্ছ তার, যা দ্বারা digital সংকেত চলাচল করতে পারে। Bus প্রধানত ৩ প্রকার: Address bus, ডাটার অবস্থান জানার জন্য ROM বা RAM যোগাযোগ রক্ষা করে Address bus-এর সঙ্গে;Control bus, processor থেকে নির্দেশ বহন করে সংশ্লিস্ট অংশগুলোতে প্রেরণ করে; Data bus,বিভিন্ন চিপের মধ্যে তথ্য বিনিময় করে।
MEMORY
RAM: Consumer level এ desktop RAM অনেক company তৈরি করে, উল্লেখযোগ্য হল:Corsair, OcZ, G.Skill । SD, RD, DDR, DDR2 RAM এখন বাতিল হয়ে গেছে। চলছেDDR3 এর যুগ, ভবিষ্যতে DDR4 আসছে। বর্তমানে (April 2012) value এর দিক থেকে দেখলেDDR3 1600 bus এর RAM সবচেয়ে সাশ্রয়ী।
Rom: স্থায়ীভাবে data সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত অর্ধ-পরিবাহী ব্যবস্থা। মূলত factory-তেই ROM-এরdata write করা হয়। সাধারণত নতুন data লেখা যায় না কিন্তু তা পড়া যায়, এজন্য পরিবর্তনযোগ্য data, ROM-এ সংরক্ষণ করা হয় না। তবে বর্তমানে কিছু ROM আছে, যেগুলোতে পুরানোগুলো মুছে নতুন dataঢুকানো যায়। বিদ্যুৎ চলে গেলেও ROM-এর data থাকে।
Processor:
Processor-এর processing গতি RAM-এর গতি থেকে বেশী হওয়ায় data বিনিময়ে speed mismatch হয়। এই সমস্যা দূর করতে প্রসেসর ও প্রধান মেমেরির মাঝে উচ্চগতি সম্পন্ন ক্যাশ মেমোরি ব্যবহার করা হয়। এ সকল মেমোরি Processor এর সাথে দেয়া থাকে । ক্যাশ মেমোরি যত বেশী হবে,technically Processor তত দ্রুত রান করবে ।
Consumer level এ বর্তমানে দুটি company processor তৈরি করে। Intel এবং AMD। উভয়ই বিভিন্ন রকম user এর জন্য বিভিন্ন দামের processor তৈরি করে থাকে। বর্তমানে (April 2012) consumer level এ desktop এর জন্য Intel এর সবচেয়ে সস্তা processor হল Celeron, আর সবচেয়ে দামী হল 2011 socket এর 2nd generation Hexa-core Core i7 Extreme Edition। AMD এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে সস্তা processor হল Sempron, আর তাদের latest processor হল AM3+ socket এর 8-core FX 8150। শীঘ্রই Intel Ivy Bridge আসছে।
Motherboard: Computer এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন অংশ মাদারবোর্ড।এটি এমন একটি সার্কিট বোর্ড ,যেখানে কম্পিউটারের বিভিন্ন যান্ত্রংশ যেমন- processor ,hard disk , ram, display card, sound card, Network card ইত্যাদি যুক্ত করা হয়। Mother board বিভিন্ন form factor এর হয়: BTX, ATX, Micro ATX etc.। প্রসেসরের মতই consumer level এও বর্তমানে মূলত Intelও AMD motherboard তৈরি করে। বর্তমানে (April 2012) consumer level এ desktop এর জন্য Intel এর সবচেয়ে দামী chipset হল X79, এবং AMD এর হল 990FX।
BIOS: BIOS অর্থ Basic Input Output System । এটি একটি ক্ষুদ্র software, যা প্রতিটিmotherboard-এ থাকে। Computer চালু করলে OS চালু হওয়ার আগেই BIOS চালু হয় এবং প্রতিটিhardware ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখে। বাজারে মূলত ৩ ধরনের BIOS পাওয়া যায়:Award, American Megatrends ও Phoenix ।
STORAGE DEVICE
Hard Disk:- Hard disk হচ্ছে, পাতলা গোলাকার ধাতব পাতের তৈরী সহায়ক memory ।ধূলিকনা ও অন্যান্য ময়লা থেকে নিরাপদ রাখার জন্য,hard diskকে আবদ্ধ পাত্রে বসানো হয়।হার্ডডিস্কের উভয় পার্শ্বে চুম্বকীয় পদার্থে প্রলেপ থাকে।ডিস্কের গোলাকার ধাতব পাতগুলো দেখতে গ্রামাফোন রেকর্ডের মত।এই পাতগুলো একটির উপর একটি স্তরে স্তরে বসানো থাকে।পাতের মধ্যে আধা ইন্চির মত ফাক থাকে।এই ফাকা জায়গায় একটা দন্ড থাকে।কাজের সময় এই দন্ডের সাহায্যে ৭২০০/minute গতিতে ঘুরতে থাকে।Diskএর পৃষ্ঠের ট্র্যাকে অদৃশ্য ক্ষুদ্র চুম্বকীয় বিন্দুর আকারে data লিখা হয়।বর্তমানে storage device হিসাবে হার্ডডিস্ক খুবই জনপ্রিয়। ১ টেরাবইট পর্য্যন্ত হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়।
Flash Memory :- data transfer এবং storage device হিসাবে ব্যবহার সহজ হবার ফলে flash memory সর্বত্রই ব্যবহার হচ্ছে। বর্তমানে 128 gb পেন ড্রাইভ পাওয়া যাচ্ছে।
Operating System (OS): OS, computer এর সমস্ত hardware-কে নিয়ন্ত্রণ করে এবংsoftware চালানোর পরিবেশ তৈরি করে। OS, hardware ও application software-এর মাঝখানে অবস্থান করে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ: Unix (1969), Microsoft DOS (1981), Apple Mac OS (1984), Linux, Ubuntu, Microsoft Windows 95 (1995), Windows 98, Windows XP, Windows 7 ইত্যাদি।
Linux হল Open Source (ফ্রি) OS । সার্ভারে ব্যবহারের জন্য মূলত Linux তৈরি এবং বেশীরভাগ সার্ভারেই ব্যবহৃত হয়। তবে বর্তমানে সকল কম্পিউটারেই ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে।Ubuntu, Kubuntu, Red hat, Susi, Fedora, Debian, Sent OS, Arch, Mint ইত্যাদি হল Linux-এর উদাহরণ। Linux-এর প্রতিদ্বন্দী বলা চলে Windows-কে। Windows 95 ছিল পুরোপুরি বৈপ্লবিক একটা চিত্র-ভিত্তিক ও সহজে ব্যবহারযোগ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ OS । পরবর্তীতে Microsoft অন্যান্যWindows-গুলো তৈরি করে। বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ consumer ব্যবহারকারীই Windows ব্যবহার করে।
আধুনিক OS-গুলোতে hard disk-এর ফাকা স্থানকে প্রধান মোমোরির অংশ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এই ব্যবস্থাকে “ভারচুয়াল মেমোরি” বলে ।এটা চালু করলে হার্ড-ডিস্কের যতটুকু জায়গা ভারচুয়াল মেমোরি হিসাবে ব্যবহার করা হবে, ডিস্কে ততটুকু ডাটা কম রাখা যাবে।আবার এই ব্যবস্থা বন্ধ করে দিলে ডিস্ক আবার ফাকা হয়ে যাবে। বিকল্প ব্যবস্থা বলে এই সময় কম্পিউটার ধীর গতিতে চলে। ভারচুয়াল মেমোরির সাইজ নিজেও ঠিক করে দেয়া যায় আবার কম্পিউটারের উপরও ছেড়ে দেয়া যায়।
Monitor: মনিটর একটি গুরুত্বপূর্ণ output device. যা প্রক্রিয়াকৃত ডাটা ভিডিও কন্ট্রোলার কার্ড থেকে নেয়া তথ্যকে ঠিকভাবে পর্দায় প্রদর্শন করে।
প্রধানত তিন প্রকার মনিটর প্রচলিত:
CRT (Cathode Ray Tube):- cathod tube এর মধ্যে আলোর প্রক্ষেপনের মাধ্যমে ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। CRT মনিটরগুলো আকারে ও ওজনে বড়। power consumption এ বেশি হলেও সেগুলো সবরকম সমস্যামুক্ত।
LCD (Liquid Crystal Display):- বিশেষ তরল crystal ব্যবহার করা হয় যাতে ইলেকট্রিসিটি চালনা করলে ছবি ফুটে উঠে। crt এর তুলনায় LCD তে picture অধিকতর clear আসে, কম জায়গআ নেয়, power consumption কম কিন্তু viewing angle ভাল নয়। বেশ কিছু দিক থেকে দেখলে colour ফ্যাকাশে আসে, screen এর জিনিসগুলো বুঝা যায় না, ইত্যাদি।
LED(Light Emitting Diode):- LED আরো অনেক কম power টানে এবং better picture quality দেয়। LED এরও viewing angle এর সমস্যাটা আছে, যদিও এই সমস্যা আস্তে আস্তে কমে আসছে।
LCD/LED এর মধ্যে IPS (In Panel Switching) panel এর মনিটর গুলোর দাম বেশি কিন্তু ওইগুলো এই সমস্যাসহ অন্যান্য সমস্যা থেকে মুক্ত।
Dot pitch,Pixel,Resolution,refresh rate
রংগিন মনিটরের পর্দার ভিতরের পিঠ লাল,সবুজ ও আকাশী এই ৩টি মৌলিক বর্নের ফসফর দানার সম্মিলনে গঠিত অসংখ্য ফসফর বিন্দু দিয়ে ঢাকা থাকে।এদের বিন্দুর দূরত্বকে ‘dot pitch’ বলে। Dot pitch যত বেশী হবে, চিত্র ততবেশী। প্রচলিত মনিটরের crt,lcd,led ষাধারনত: থাকে।
Computer তথ্য প্রদর্শনের একক হচ্ছে, pixel ।Pixel হচ্ছে data প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহ্রত মাধ্যমের ক্ষুদ্রতম এলাকা যার বর্ন,উজ্জলতা স্বতন্ত্র ভাবে নিয়ন্ত্রন করা যায়।
মনিটরে প্রদর্শিত ছবির সুক্ষতাকে resolution বলে।স্ক্রীনের প্রতি ইন্চিতে যত বেশী pixel থাকবে ছবি ততবেশী সুক্ষ হবে।Vertical ও horizontal pixelএর গুনফল দ্বারা resolution প্রকাশ করা হয়।
‘Refresh rate’ pixel এর উজ্জলতা ঠিক রাখার জন্য, প্রতি সেকেন্ডে pixelএর চার্জের সংখ্যা।এটা যতবেশী হবে, ছবি তত ভাল দেখাবে।
Printer
Printer প্রধানত ২ প্র্রকার।
· Impact printer : এগুলোতে প্রিন্টারের হেড কাগজ স্পর্শ করে।
· Non-impact printer:- হেড কাগজ স্পর্শ করেনা।
Impact printer 2 প্রকার:-
· Line printer:- Impact printer এর মধ্যে এগুলো সবথেকে দ্রুতগতিসম্পন্ন। ২০০-৩০০০(lpm) লাইন ছাপা হয়।Mini ও mainframe computerএর ব্যবহার করা হয়।
· Serial printer:- টাইপ রাইটারের মত। এখানে একই ধরনের টাইপ করা সম্ভব।এগুলো বাতিলের পথে।
Line printer 2 রকম:-
a) Chain printer:- এ সমস্ত প্রিন্টার এখন অচল।
b) Drum printer:- এগুলো এখন অচল।
এছাড়া Daisy Wheel,Dot Matrix,Tharmal, Electrostatic, Inkjet,Laser ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের printer আছে।তবে এগুলোর মধ্যে ব্যয়বহুল হলেও সবথেকে ভাল Laser printer ।তবে ‘Dot Matrix’ এবং ‘Ink jet’ printerএর ব্যবহার এখনও প্রচুর পরিমানে হচ্ছে।
=======
No comments:
Post a Comment