Tuesday, April 24, 2012

teletalk ও 3g


      একটা 3g এই ডিপার্টমেন্টকে পাগল করে দিয়েছে। কথায় বলে, সেলুকাস! কি বিচিত্র এই দেশ? T&t,teletalk,btrc,btrc chairman,সংসদীয় কমিটি,মিডিয়া, সম্মানিত মন্ত্রী একেক জন বলে একেক কথা। আসলে উনারা সবাই কি অদক্ষ ? সাধারন মানুষ কিন্তু কিছুই বুঝতে পারছেনা। এটাই বুঝতে পারছে 3g-এর সময় বার বার পিছাচ্ছে। এ পর্য্যন্ত মন্ত্রী সাহেব ৮/৯ বলেছেন, 3g চালু হয়ে যাবে। অথচ বর্তমান সরকার এসেছে ৩ বছর হয়ে যাচ্ছে ।কাজ কি করবে, সবাই কথা বলতে বলতে হয়রান।     
     প্রাক্তন btrc chairman জনাব মন্জুরুল আলম সাহেব erricssion/huwai ও জিপিসহ অন্যান্য cell-phone কোম্পানীর সহযোগিতায় 3g এর কোন version আমাদের দেশের জন্য উপযোগীসহ বিভিন্ন কারিগরি দিক তৈরী করে রেখে গিয়েছেন। বর্তমান সরকার cell-phone কম্পানীগুলোর লাইসেন্স নবায়ন এবং ফ্রিকোয়েন্সির দাম ঠিক করে 3gএর টেন্ডার করবে। এতেই ৩ বছর পার। অথচ মন্জুরুল আলম সাহেব ৩জির কাজ আর wimaxএর টেন্ডার করেছেন। এতকথা বলা লাগেনি।কাজ হবে কিভাবে? ৬ পক্ষের গুতাগুতিতে কাজের পরিবেশ শেষ। অধিক সন্নাসীতে গাজন নষ্ট। বর্তমান সরকার সমস্ত সেক্টরে উপদেষ্টা,মন্ত্রী আর সংসদীয় কমিটি এই ৩টা পক্ষ তৈরী করে, দ্রুত কাজ করার পরিবেশ নষ্ট করে দিয়েছে।
    এরপর মরা teletalk নাকি করবে 3g বাস্তবায়নের কাজ। Teletalkএর টাওয়ার মাত্র ১৯০০ ।জিপির bts হচ্ছে ১৪,০০০ হাজার আর অন্যদের ৫/৬ হাজার।  এর আগে বলেছিল, কোরিয়ার sk telecomকে পার্টনার হিসাবে নিবে। তারপর প্রাইম মিনিষ্টার চীনা লোন পেলেন। আরেক বার বলে, শেয়ার-বাজার থেকে টাকা নিবে।একবার বলে, ১৭ লাখকে 3g সুবিধা দিবে।আরেক বার বলে শুধু ঢাকা/চট্ট্রগাম । এখন বলে শুধু ঢাকা।মাত্র ১৯০০ টাওয়ার আর ১০ লাখ গ্রাহকেই কোম্পানীর ব্যালেন্স নাই।জিপির মত গ্রাহক হলে কি হোত ? Btcl, ২৪০কোটি টাকার অভাবে wimax-এর লাইসেন্স নিতে পারে নাই।Teletalk- তারই ভাই ।এরাও টাকার অভাবে 3gএর লাইসেন্স নিতে পারবেনা।
   ‘তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মোবাইল সেবা চলতি বছরে চালু না হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি থ্রিজি খসড়া নীতিমালা তৈরি করে জমা দিলেও মন্ত্রণালয়ের ধীরগতির কারণে এখনও তা চূড়ান্ত হয়নি। ফলে অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এ বছর থ্রিজি চালু করা কঠিন হয়ে পড়বে। বিটিআরসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।‘
 দৈনিক সকালের খবর
২৩-৪-২০১২
    যখন মোবাইলের কলরেট ৭ টাকা আর কোন কম্পানীই কলরেট কমাচ্ছিল না, এই ধরনের কঠিন সময়ে টেলিটকের আগমন।বিভিন্ন প্যাকেজের মাধ্যমে এই কম্পানীর সিমের দাম ছিল ১০০০০, ৫০০০ আর সর্বনিম্ন ২৭০০ টাকা। পুলিশের লাঠি চার্জ , লটারি ইত্যাদির পর সিমের মালিকের প্রতিক্রিয়া ছিল অনেকটা ডিভি বিজয়ীর মত। তবে সেটাই ছিল শেষ হাসি । কারন সিম মোবাইলে ঢুকানোর পর networkনাই। প্রায় ২/৩ বছর পর নেটওয়ার্ক কিছুটা ভাল হলেও, ব্যবহারকারীদের টেলিটকের নেশা তখন শেষ।তবে কলরেট সব সময়ই ভাল ছিল।
    তারপরেও সবাই এটা ভেবে ছাড় দিয়েছিল নতুন,এটা হতেই পারে।দূনীতির জন্য বেশ কিছুদিন কাজ বন্ধ ছিল। প্রকৃতপক্ষে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় লাগছিল টেলিটকের কাজ করতে। জনশ্রুতি ছিল , প্রাইভেট মোবাইল কোম্পানীগুলো প্রভাব বিস্তার করছিল, যেন নেটওয়ার্ক ধীর গতিতে হয়। সরকার এটাকে কোম্পানী করেছিল অনাবশ্যক জটিলতা কমানোর জন্য । কাজ যেন দ্রুত গতিতে হয়।
     সরকারী জনবল, অঘোষিত সুবিধা ইত্যাদি ব্যবহার করার পরো এর গ্রাহক এখন ৯/১০ লাখ।Tower এরসংখ্যাও সবচেয়ে বেশী, মাত্র ১৯০০ । টেলিটকের পরে আরো ২টি কম্পানী এসেছে যাদের গ্রাহক সংখ্যা কত ?দুর্বল নেটওয়ার্ক, কথা অস্পষ্ট , লাইন পাওয়া যায় না।
     একমাত্র এই কম্পানী ছাড়া সবার হেল্প-লাইন ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে। ফোন করলেও কেউ ধরতে চায় না। কেউ কি বলতে পারবেন যে মেইল করে উত্তর পেয়েছেন ?
চায়না কম্পানীর সহযোগিতায় এরা করবে 3gএর কাজ ? কাজের মান নিয়ে, আমরা আতংকিত।
===

No comments:

Post a Comment