Sunday, February 17, 2013

wp dashboard


wordpres dashboard
11-06-2012
dashboard
Administrator:-
(১) New Post.
(২) New Page. (৩) Modify. (৪) Edit. (৫) Moderate. (৬) IP address,date,Time,Email Address. (৭) Template or Theme. (৮) Settings
• Stick this post to the front page.সাময়িক ভাবে নোটিশ দিবার জন্য।



* Related: এই অংশে পোস্ট লেখা সম্পর্কিত প্রায় একই রকমের কয়েকটি কাজের লিংক আছে।
* Shortcuts: এখানে আপনি আপনার পছন্দ মতো কয়েকটি শর্টকাট রেখে দিতে পারেন।
* পোস্ট লেখার ফাঁকা জায়গার ঠিক নিচে দুটি অতি প্রয়োজনীয় অংশ আছে। একটি হল "Tags" এবং "বিভাগ"।এখানে আপনি কোন জাতীয় লেখা ঠিক করবেন। * Tags: ট্যাগ লেখার ঠিক নিচের টেক্স বক্সে আপনার পোস্টের ট্যাগ লিখুন্।
* Add New Category' লেখার ঠিক নিচের ফাকা textbox বিভাগের নাম লিখে Add বাটনে প্রেস করলে নতুন বিভাগ তৈরি হবে
* Advanced Options: এখানে যারা html জানেন তাদের জন্য কিছু করার আছে। তারা ইচ্ছে করলে কিছু টেকনিক্যাল কোড এখানে স্থাপন করতে পারেন। * Trackbacks: আপনার পোস্টটি প্রকাশিত হওয়ার পর এক বা একাধিক visitorকে e-mailএ জানাতে চাইলে কমা দিয়ে mail address লিখতে থাকুন।
* Comments & Pings: আপনার পোস্টটিতে পাঠককে মন্তব্য করতে দিবেন কিনা তা এখানে থেকে নির্ধারিত করতে পারেন।Ping অংশটিতেও একই ব্যাপার। যদি আপনি আপনার পোস্টটিতে Ping করতে দিতে চান, তাহলে টিক চিহ্নটি থাকবে। এটাকে ক্লিক করে উঠিয়ে দেয়ার দরকার নেই।>br> • Link) দিতে চাইলে শব্দকে সিলেক্ট করে শিকলের (Chain) ছবিযুক্ত বাটনে প্রেস করলে একটি আলাদা বক্স আসবে। সেখানে কোন ওয়েবসাইটের লিংকটি (Website Link/ Url) লিখে দিতে হবে। Read More :- Articleএর শেষে readmore যোগ করা।
এর পরের ABC লেখা বাটনটি দিয়ে বানান ঠিক করতে পারবেন।
Upload:- কম্পিউটারে থাকা কোন ছবি থাকলে তা Browse বাটন প্রেস করে দেখিয়ে দিন। ওয়ার্ডপ্রেস নিজে থেকেই ছবিটি Upload করে নিবে। কিংবা কোন ওয়েবসাইটে থাকা ছবি দিতে চাইলে সেই ছবিটার লিংক দিন নিচের From Url এর Source লেখা ফাঁকা জায়গায়। Image Title,Caption ইত্যাদি লিখে দিন।
ভিডিওর ক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রেস সরাসরি আপলোডের সুবিধা দেয় না। Youtube বা অন্য কোন ভিডিও শেয়ারিং সাইটে থাকা ভিডিওটির লিংক URL ঘরে লিখে দিন। পোস্টের সুবিধামত জায়গায় ভিডিওটি বসে যাবে।
Poll:- মতামত ও ভোট নেয়ার জন্য।
Wordpressএ নূতন পাতা তৈরি করুন
Wordpress আলাদা Page তৈরি করা যায়। এতে আপনি আপনার ব্লগটিকে Web Site মতো করে ব্যবহার করতে পারেন। সাধারণত Cover,About me,Favorite links,My picture,Download ইত্যাদি শিরোনামের পেজ তৈরি করা যায়।
নতুন পেজ (New Page) তৈরি করার জন্য প্রথমে ওয়ার্ডপ্রেসে লগইন (Login) করুন। এরপর সরাসরি লিখুন বাটন প্রেস করুন। সরাসরি নতুন পোস্ট লেখার বক্স আসবে। কিন্তু লিখুন শব্দটির ঠিক নিচে লেখা * পোস্ট * Page * Link এই তিনটি শব্দের মধ্যে Page লেখার উপরে ক্লিক করুন। নিচের ছবির মতো একটি অংশ আসবে।
একটি শিরোনাম দিন। আপনার ব্লগের এই বিশেষ পেজটিতে যা লেখা থাকবে তা লিখুন। প্রয়োজন পড়লে ছবিও সংযোজন করতে পারেন।Image,Picture,Photo সংযোজন করুন এখানে লেখা নিয়মে।
নতুন কিছু লেখা হয়ে গেলে নিচের কয়েকটি বিশেষ অপশনগুলোর দিকে মনোযোগ দিন।
* আপনি কি এই পৃষ্ঠাটিতে অন্যদেরকে মন্তব্য Comment
করতে দিতে চান?
* Password protected:- পাসওয়ার্ড দিতে না চাইলে কোন কিছু লিখবেন না।
* Main page:- হিসেবে রাখতে চান? তাহলে তা উর্ধ্বতন পৃষ্ঠা লেখা জায়গাটিতে সিলেক্ট করুন।
* পাতা-র টেমপ্লেট: কোন কোন ওয়ার্ডপ্রেস থীমের Wordpress Theme মধ্যে কোন নির্দিষ্ট পাতাকে বিশেষ কোন Design প্রদর্শনের ব্যবস্থা আছে। তবে সব থীমে এই ব্যবস্থা নাই।
* page serrial:- আপনার ব্লগে একাধিক পৃষ্ঠা থাকলে তা সাধারণত বর্ণানুসারে (Alphabetical) প্রদর্শিত হয়। কিন্তু আপনি ইচ্ছে করলে কততম হিসেবে পৃষ্ঠাটি দেখাবে তা নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন।
পাতাটি লেখা, বিভিন্ন অপশন সিলেক্ট করা সম্পূর্ণ হয়ে গেলে প্রকাশ বাটনে ক্লিক করে পাতাটিকে প্রকাশ করুন।
ওয়ার্ডপ্রেসে লিংকলিস্ট তৈরি করুন
ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে আপনি Blogroll হিসেবে বিভিন্ন ধরণের লিংক Link এর একটি List তৈরি করতে পারেন অতি সহজে। Login অবস্থায় লিখুন বাটনে ক্লিক করলে তিন রকম অপশন দেখা যায়। * পোস্ট * Page * Link, এদের মধ্যে Link বাটনে ক্লিক করলে নিচের ছবির মতো নতুন অংশ দেখা যায়।
এখানে নাম, Web Address, বিবরণ ইত্যাদি দিন। ওয়েব ঠিকানা লেখা সময় অবশ্যই মনে করে ঠিকানার পূর্বে "http://" লিখতে ভুলবেন না।
এছাড়াও Advanced Options অংশে আপনি লিংকটাকে আলাদা ওয়েব পেজে নাকি বর্তমান ওয়েব পেজে খুলতে চান, লিংকটির মালিক সম্পর্কে কিছু তথ্য, যেমন তার নাম, পরিচয়, শারীরিক বৈশিষ্ট্য, পেশা, ইত্যাদি লিখে দিতে পারেন। কোন ছবি দিতে চাইলে তাও দিতে পারবেন একেবারে সর্বনিচের উন্নততর লেখা জায়
ওয়ার্ডপ্রেসের ম্যানেজ বাটনের ব্যবহার
* Links: অনেক সময় দ্রুত লিখতে গিয়ে বা অন্যমনস্ক থাকলে কোন Link ভুল হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে যে ভুলটা বেশি হয় তা হল বানান ভুল। তাছাড়াও অনেক সময় http:// বর্ণগুলি লিখতে মনে থাকে না। মনে রাখবেন www বর্ণগুলির চাইতে http:// বর্ণগুলির প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। * Media Library: এই বাটনটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ব্লগ লেখাকালীন যেসব ছবি বা অন্যান্য ফাইল ব্লগে আপলোড করেছেন, তা এখান থেকে দেখতে পারবেন। প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে পারবেন এই Media Library থেকে।
* import:- ওয়ার্ডপ্রেসের এই ফিচারটা অসাধারণ। ধরা যাক, আপনি অন্য কোন ব্লগিং প্লাটফরমে ব্লগ লিখছেন। কিন্তু এখন আর সেখানে ব্লগ লিখতে চাচ্ছেন না। ওয়ার্ডপ্রেসের বিভিন্ন সুবিধা আপনাকে
* export:- আপনার ব্লগের একটা Backup কি কম্পিউটারের Harddisk সংরক্ষণ করে রাখতে চান? তাহলে এই ফিচারটা আপনি নিয়মিত ব্যবহার করুন। এখানে ক্লিক করলে একটি XML ফাইল আপনার হার্ডডিস্কে Harddisk সেভ হয়ে যাবে। সেই XML ফাইলে আপনার ব্লগের posts, pages, comments, custom fields, categories এবং tags সবকিছু থাকবে। এই ফাইলটি ব্যবহার করে আপনি নতুন কোন ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে আপনার বর্তমান ব্লগটিকে সম্পূর্ণরূপে স্থানান্তর করতে পারবেন।
* Polls: এই বাটনে ক্লিক করে আপনি ব্লগে স্থাপিত পুরনো কোন ভোটকে Poll সংশোধন করতে পারবেন, বা নতুন কোন ভোট দেয়ার সুবিধা তৈরি করতে পারবেন।

 দুটো অপশন প্রত্যেকটা থিমের সাথে থাকবেই। আর তা হলো Widgets এবং Extras; এছাড়াও Edit CSS অপশনটিও প্রত্যেকটা থিমের সাথে থাকে। Custom Header Image অপশনটি সেইসব থিমকে একটিভেট করলে থাকে যেগুলোতে হেডার হিসেবে কোন ইমেজ ফাইল বা ছবি ফাইলকে ব্যবহারের সুযোগ আছে।
সাধারণত ব্লগের সাইডবারে বিভিন্ন উইজেটের মাধ্যমে ব্লগের নতুন পোস্ট, পুরাতন পোস্ট, প্রয়োজনীয় তথ্য, অন্য ব্লগের লিংক, বিভিন্নরকমের ছবি ইত্যাদি ব্লগভিজিটরদের সাথে শেয়ার করা হয়।নিচের ছবিতে দেখুন, এখানে প্রধান বাটন হল Available Widgets এবং Current Widgets, এই দুটো বাটন দিয়ে ব্লগে বিভিন্ন রকমের উইজেট স্থাপন করা যায়।
* Available Widgets:
# del.icio.us: এই উইজেটের মাধ্যমে আপনি del.icioতে যা কিছু বুকমার্ক করে রেখেছেন, তা অন্যদেরকে জানাতে পারবেন। তবে তার আগে এই Delicious সাইটে গিয়ে আপনাকে Login করে একটি Account তৈরি করতে হবে।
# Page: আপনি ব্লগটিতে যতগুলো পেজ Page তৈরি করেছেন, তার একটি Index এই উইজেটের মাধ্যমে অন্যদেরকে জানাতে পারবেন। মনে রাখবেন, এই উইজেটটি যদি ব্লগের Sidebar প্রদর্শন না করেন, তাহলে আপনার বিষয়ভিত্তিক পাতাগুলো Blog Visitor দেখতে পারবেন না।
# Calendar: আপনি ব্লগে মাসের কত তারিখে পোস্ট লিখেছেন, তা জানা যাবে। আপনি যত তারিখে New post লিখেছেন, ঠিক সেই তারিখের মধ্যে একটি লিংক হয়ে যাবে। সেই লিংকে ক্লিক করে আপনার ঠিক তত তারিখের পোস্টে যাওয়া যাবে।
# Archive: আপনার ব্লগে শুরু থেকে যত পোস্ট লিখেছেন, তার একটি তালিকা এই আর্কাইভ উইজেটের মাধ্যমে অন্যদেরকে জানানো যাবে। আপনি কিভাবে Archive অন্যদের সাথে শেয়ার করতে চান, ড্রপডাউন মেনু হিসেবে, নাকি সাধারণভাবে, আর্কাইভে Post count থাকবে কি থাকবে না তার অপশনও এখানে রয়েছে।
# Links: আপনি যদি আপনার বন্ধুদের ব্লগ বা কোন প্রিয় ব্লগের Link ব্লগ ভিজিটরদেরকে জানাতে চান, তা করতে পারবেন এই উইজেট দিয়ে Blogroll ।
# Meta: Meta উইজেটটির মাধ্যমে সরাসরি ব্লগ থেকেই আপনি লগইন নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ব্লগের Dashboard প্রবেশ করতে পারবেন।
# খোঁজ করুন: আপনার নিজস্ব ব্লগের নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine) স্থাপন করুন এই উইজেট ব্যবহার করে।
# Recent Posts: সর্বোচ্চ শেষ ১৫টি পোস্টের খবর আপনি অন্যদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন এই উইজেটের মাধ্যমে।
সম্পাদনা#Tag Cloud : এটা আসলে আপনার ব্লগে ব্যবহৃত ট্যাগের Used Tag তালিকা। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, আপনি যেসব ট্যাগ বেশি বেশি ব্যবহার করেন সেইসব ট্যাগের নাম মোটা দাগে দেখাবে এই ট্যাগ ক্লাউড উইজেট।
# বিভাগ: আপনার ব্লগে যেসব বিভাগ ব্যবহার করেছেন, তার List যদি ব্লগ ভিজিটরদেরকে জানাতে চান, তাহলে এই উইজেটটি ব্যবহার করুন। আপনি বিভিন্নভাবে এই বিভাগগুলো দর্শকদেরকে দেখাতে পারেন। ড্রপডাউন Drop Down, বা hierarchy যেভাবে খুশি, আপনি ইচ্ছা করলে ওই বিভাগগুলোর অন্তর্গত কতটি পোস্ট রয়েছে, তাও Visitor জানাতে পারবেন।
# Text: এই টেক্সট উইজেটটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ থার্ডপার্টির 3rd party কাছ থেকে পাওয়া যেসব উইজেট ওয়ার্ডপ্রেসে Default হিসেবে দেয়া নাই, তাদের কোড Code এই টেক্সট উইজেটেই স্থাপন করতে হবে।
# RSS: তাহলে এই আর এস এস উইজেটটি ব্যবহার করুন। বাংলা ভাষায় ব্লগগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় আর এস এস হল Bdnews24 এর যেমন Bangla Blog Tips আর এস এস হল http://feeds.feedburner.com/bbtips
আপনি কতগুলো নতুন পোস্ট দেখাতে চান, তা এই উইজেটে সিলেক্ট করে দিতে পারবেন।
# Recent Comments: সম্পৃতি আপনার ব্লগে ভিজিটররা যা,Comment করেছে তা একসাথে এই উইজেটের মাধ্যমে Show করতে পারবেন। কতগুলো মন্তব্য প্রদর্শন করতে চান, কিংবা মন্তব্যকারীর ছবি কতবড় দেখাতে চান, তা এই উইজেটের মাধ্যমে নির্দিষ্ট করে দিতে পারবেন।
# Meebo: মিবো হল ওয়েবভিত্তিক মেসেজ আদান প্রদান করার একটি সার্ভিস Chating Service। যদি আপনার মিবোতে কোন একাউন্ট থাকে, তাহলে বন্ধুদের সাথে এই উইজেটের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে কথাবার্তা চালাতে পারবেন Chat।
# Vodpod Videos: Vodpod থেকে যে কোন রকমের ভিডিও (Video) এই উইজেটের মাধ্যমে ব্লগ ভিজিটরদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন।
# Box.net file sharing: বক্স.নেট এ একটি Account খুলে সেখানে আপনার আপলোড করা বিভিন্নরকমের ফাইল দর্শকদের সাথে File Share করতে পারবেন। এজন্য Box.net এর মধ্যে আপনার একটি একাউন্ট থাকতে হবে, তারপর সেখান থেকে HTML কোড কপি Copy করে নিয়ে এই উইজেটের মধ্যে স্থাপন করতে হবে। তাহলে Box.net এ আপনার একাউন্টে থাকা আপনার ফাইলগুলোর লিংক এখানে দেখা যাবে।
# Category Cloud: বেশী ব্যবহার করা category, visistorদের জানানোর জন্য।
# Akismet: spam proyechtion.
# ব্লগ পরিসংখ্যান: আপনার ব্লগের visitor সংখ্যা জানার জন্য Blog Counter।
#Top Clicks: কোন পোস্টটিতে দর্শকরা বেশিবার Click করেছে।
# Top Posts: visitors জনপ্রিয় হয়েছে পোষ্ট।
# Platial MapKit: visitors location.
# Authors: ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ একাধিক লেখক সমর্থন করে। ইচ্ছে করলে ১০০ জনেরও বেশি লেখক আপনার ব্লগে থাকতে পারে। ধরা যাক আপনার ব্লগটি একটি সামাজিক ব্লগ (Social Blog)।
এখানে অনেকে লিখে থাকেন। কিভাবে নতুন লেখক যোগ করতে হয় (Add Author), তা আমরা জানবো পরবর্তিতে। এই সবগুলো লেখকদের তথ্য বা কারা কারা আপনার ব্লগের লেখক তা জানাতে প্রকাশ করতে পারবেন এই উইজেটটি ব্যবহার করে।
ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগ কাস্টমাইজেশন - Extras & Edit CSS
# Extras এবং # Edit CSS বাটনের ব্যবহার। আগামী পোস্টে জানবো # Custom Image Header বাটনের ব্যবহার।
প্রথমে জানি #Extras বাটনের ব্যবহার:
Wordpress.com এর Default হিসেবে দুইরকম অতিরিক্ত সুবিধা আপনার ব্লগের জন্য ব্যবহার করতে দেয়। সেগুলো এই Extras বাটনের মাধ্যমে Active করতে পারবেন।
Snap shots:- এই ফিচারটি ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগের কোন লিংকের একটি সংক্ষিপ্ত ছোট্ট ছবি সেই লিংকে ভ্রমণ না করেও ভিজিটরদেরকে দেখাতে পারবেন।
Enable Snap Shots on this blog লেখাটির বামপাশের টিক বক্সে ক্লিক করে একটি টিক চিহ্ন দিয়ে দিন এবং শেষে এটাকে সেভ করতে Update Extras বাটনে ক্লিক করুন।
Hide related links on this blog:-
যদি আপনার ব্লগের পোস্টের অনুরূপ বা ট্যাগযুক্ত বা প্রায় একইরকম কোন পোস্ট অন্য কোন ব্লগেও থাকে (ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগ) তাহলে সেগুলোকেও আপনার পোস্টের নিচে দেখাব।
"Hide related links on this blog, which means this blog won’t show up on other blogs or get traffic that way" লেখাটির বামপার্শে অবস্থিত টিক বক্সে ক্লিক করে একটি টিক চিহ্ন দিয়ে দিন এবং শেষে এটাকে সেভ করতে Update Extras বাটনে ক্লিক করুন।
Header Image
আজ আমরা জানবো কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের হেডার ইমেজ (Header Image) সেট করতে হয়। ওয়াপ্রেসে লগইন করে Design অংশে # Custom Image Header বাটনে ক্লিক করলে নিচের ছবির মতো পেজ আসবে। এই পেজ থেকে আপনি আপনার ব্লগের হেডার অংশের বেশ কিছু পরিবর্তন করতে পারবেন।
প্রথমে বলি এর হেডারে আপনার ব্লগের কনটেন্ট (Content) বা থিম (Theme) বা বিষয় (Subject) বা দর্শন (Philosophy) অনুযায়ী একটি সঠিক ছবি আপলোড করার কথা। এর জন্য উপরে দেয়া ছবির নিচের "Choose an image from your computer:" লেখাটির নিচের ব্রাউজ (Browse) বাটন প্রেস করে আপনার কম্পিউটারে আগে থেকে তৈরি করে রাখা ব্লগের হেডার ইমেজ ফাইলটি (Image File) সিলেক্ট (Select) করে দিন। এই ছবিটি Digg 3 Column থিমের জন্য অবশ্যই 904 x 160 pixels এর হতে হবে। অর্থাৎ ছবিটি ভূমির সমান্তরালে হবে ৯০৪ পিক্সেল এবং খাড়াখাড়ি হবে ১৬০ পিক্সেল মাপের। (যদি এর চাইতে বড় ছবি সিলেক্ট করেন, তাহলে তা আপলোড (Upload) হবার পর মাপমতো কেটে ঠিক করার অপশন আসবে।)
হার্ডডিস্ক থেকে ইমেজ ফাইলটি সিলেক্ট করে আপলোড বাটনে ক্লিক করে তা আপলোড (Upload) করুন। ছবিটি সঠিক মাপের হলে আপলোড হয়ে নিজে থেকেই হেডার (Header) হিসেবে সেট হয়ে যাবে এবং নিচের বার্তাটি দেখাবে:-
Header complete!
Visit your site and you should see the new header now.
আর যদি মাপে কমবেশি হয়, তাহলে তা ঠিক করার অপশন (Option) আসবে। উপরোক্ত বার্তাটি প্রদর্শন করার পর ফায়ারফক্সের (Firefox) অন্য ট্যাবে (Tab) থাকা আপনার ব্লগটি একবার রিফ্রেশ (Refresh) করে দেখুন, নতুন হেডার ইমেজটি সেট হয়ে গেছে।
আপাততঃ মনে হতে পারে যে, হেডার সিলেক্ট করার কাজ শেষ। কিন্তু আরও একটু কাজ বাকী রয়ে গেছে। আর তা হলো হেডারের নামটি কিভাবে দেখাবে এবং তার কোন রঙ পরিবর্তন করতে হবে কিনা তা। উপরের ছবিটি দেখুন। আমি হেডারের ইমেজ ফাইলের মধ্যেই ব্লগের নাম (Blog Name) লিখে দিয়েছি। এজন্য আলাদাভাবে হেডারের নাম টেক্সট ভিত্তিকভাবে দেখানোর দরকার নেই। কিন্তু লাল রঙের গোল চিহ্নিত জায়গায় ডিফল্ট হিসেবে টেক্সটভিত্তিক নামটি রয়ে গেছে। যদি আপনারা হেডার ইমেজে ব্লগের নাম না লিখে থাকেন, তাহলে নামটি লুকিয়ে রাখার দরকার নেই। কিন্তু যদি ইমেজের মধ্যেই নামটি লেখা থাকে, তাহলে টেক্সটভিত্তিক নামটি লুকিয়ে রাখার প্রয়োজন আছে। এজন্য Hide Text বাটনে ক্লিক করে পরিবর্তন সেভ করুন বাটনে ক্লিক করুন। ব্লগের টেক্সটভিত্তিক নামটি আর দেখাবে না। যদি টেক্সটভিত্তিক নামটি রেখে দেন, তাহলে Select a Text Color বাটনে ক্লিক করে এর রঙের পরিবর্তন ঘটাতে পারবেন। পছন্দের একটি রঙে হেডারটিকে রাঙিয়ে পরিবর্তন সেভ করুন বাটনে ক্লিক করুন।
উপরের ছবিটি দেখুন। লাল রঙের বক্স চিহ্নিত জায়গায় টেক্সটভিত্তিক (Text) নামটি আর দেখাচ্ছে না। হেডার ইমেজ আপলোড করার পর যদি পরিবর্তন করার দরকার হয় (পছন্দ না হলে) তাহলে তাও করতে পারেন। পূর্বের নিয়মে হার্ডডিস্কে (Harddisk) রাখা একইভাবে একটি নির্দিষ্ট মাপের ছবি ব্রাউজ বাটনের মাধ্যমে সিলেক্ট করে আপলোড করুন। আপনি ইচ্ছে করলে সমস্ত পরিবর্তন বাতিল করে ডিফল্ট ছবিটিকে আর ফিরিয়ে আনতে পারবেন। এজন্য Reset Header Image and Color লেখাটির নিচে Restore Original Header (লাল রঙের তীর চিহ্নিত) বাটনটি ক্লিক করুন। ডিফল্ট হেডার ইমেজটি ফিরে আসবে।
## মনে রাখুন: হেডার ইমেজটির আয়তন (Image Size) ঠিক রেখে ফাইল সাইজ (File Size) ছোট রাখতে হবে। তাহলে ব্লগটি দ্রুত লোড (Load) হবে। কম স্পিডের (Slow Speed) কানেকশন নিয়েও যাতে আপনার ব্লগটিকে সাবলীলভাবে ভিজিট (Smoothly Visit) করা যায়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার নিজের। রাফ খাতায় যেমন রাফ অংক লেখা হয় এটা তেমন আমার রাফ পোস্ট। ভাল লাগে বা লাগতে পারে এরকম সব ইমেজকে ব্যাগে ভরে রাখলাম এই পোস্টের মাধ্যমে। পরে এখান থেকে বেশি ভাললাগা হেডারগুলো আমার ওয়ার্ডপ্রেস আর ব্লগারের ব্লগে ব্যবহার করা হবে।
ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগ কাস্টমাইজেশন - Comments & Upgrades
Comments:
আপনার ব্লগে যে সব মন্তব্য করা হয়েছে তা প্রকাশ হবার আগে এই পেজে এসে জড়ো হয়ে থাকবে। ধারাবাহিকভাবে তালিকাগুলো এখানে দেখা যাবে। আপনি ইচ্ছেমতো মন্তব্যগুলোকে প্রকাশ করতে পারেন, কিংবা বাতিল করতে পারেন অথবা পরিবর্তন করতে পারেন। অর্থাৎ এই পেজটি আপনার ব্লগের কোন পোস্টের নিচে করা মন্তব্যগুলোর উপর আপনার সম্পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করে। কেউ যদি কোন স্প্যাম কমেন্ট করে থাকে, তাও আপনি এখান থেকে দেখে নিতে পারবেন।
উল্লেখ্য যে, মন্তব্যকারীর নাম, ইমেইল ঠিকানা, ওয়েবসাইট, আইপি ঠিকানা, সময় ও তারিখ সব রকমের তথ্য এখানে প্রদর্শিত হবে।
settings
* General
* Writing
* Reading
* Discussion
* Privacy
* Delete Blog
* OpenID
* Domains
এর মধ্যে প্রথমে রয়েছে
Default Link Category- কোন লিংকের ডিফল্ট বিভাগ কি হবে তা এখান থেকে নির্ধারণ করে দিতে পারবেন।
* Reading: আপনার ব্লগের পাঠকরা কিভাবে আপনার ব্লগটিকে পড়বে তা এখান থেকে পছন্দ করতে পারবেন।
Front page displays: আপনি ইচ্ছে করলে Web Site মতো একটি মাত্র পেজকে Page ব্লগের Cover হিসেবে সিলেক্ট করতে পারেন। কিংবা ব্লগটিকেই প্রধান পেজ হিসেবে প্রদর্শন করতে পারেন। Blog pages show at most: মোট কতটি পোস্টকে একবারে প্রথমে দেখাতে চান, তা নির্বাচন করতে পারবেন এখান থেকে।
অন্যান্যগুলোতে আপনার কিছু করার নেই। ডিফল্ট হিসেবে যা আছে, তাকে অবিকৃতভাবে রেখে দেয়াই শ্রেয়। তবে 'Encoding for pages and feeds' অংশে 'UTF-8' লেখা থাকতে হবে, যদি আপনি ব্লগটি বাংলাতে লিখে থাকেন।
* Discussion Settings: এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সেটিংস। এই অংশের কমান্ডগুলোর মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগটি একাধিক নিরাপত্তা, উপযোগীতা ইত্যাদি ঠিক করে দিতে পারবেন।
Default article settings- এখানে তিনটি অপশন রয়েছে। সবকটি সিলেক্ট অবস্থায় থাকা উচিত।
প্রথমটির মাধ্যমে কোন ব্লগে যদি আপনার লেখাটির লিংক থাকে তা নিয়ে সতর্ক বার্তা প্রদর্শন করবে কি করবেনা তা নির্দিষ্ট করতে পারবেন।
দ্বিতীয়টির মাধ্যমে অন্য ব্লগ থেকে আপনার ব্লগের কোন পোস্টকে পিং (Ping) করবে কি না কিংবা কেউ আপনার পোস্টকে সূত্র হিসেবে (Trackback) ব্যবহার করেছে কি না তা জানানোর সুবিধাটা উন্মুক্ত রাখতে পারবেন।
তৃতীয়টির মাধ্যমে আপনার ব্লগে কেউ কোন মন্তব্য (Comment) করতে পারবে কি না তা ঠিক করতে পারবেন।
Other comment settings- এখানে অন্যের করা মন্তব্য নিয়ে আরও কিছু বিষয় নির্বাচন করতে পারবেন। যেমন:
# অন্যরা মন্তব্য করার সময় অবশ্যই নাম (Name) ও ইমেইল (Email Address) দিবে কি দিবে না।
# কাউকে মন্তব্য করার জন্য সদস্য হয়ে লগইন (Login) হতে হবে কি হবে না।
# এত দিনের পুরনো পোস্টে মন্তব্য করতে দেবেন কি দেবেন না-- এইসব বিষয় Other comment settings অংশ থেকে নির্বাচন করুন।
E-mail me whenever- এখানে ২টি অপশন রয়েছে। সাধারণভাবে দুটোই টিকচিহ্ন দেয়া থাকে।
প্রথমটি হলো: কেউ যদি আপনার পোস্টে মন্তব্য করে তাহলে আপনাকে ই মেইল করে জানাবে।
আর দ্বিতীয়টি হলো: কোন মন্তব্য যদি প্রকাশিত না হয়ে সম্পাদনার (Moderation) জন্য অপেক্ষমান থাকে তাহলেও আপনাকে ই মেইল করে জানানো হবে। দুটো অপশনই প্রয়োজনীয়। তাই দুটোতেই টিকচিহ্ন থাকা নিশ্চিত করুন।
Before a comment appears - কোন মন্তব্য প্রকাশিত হবার আগে ২ রকম নিয়ম ঠিক করতে পারবেন এই অংশ থেকে।
প্রথমত: কোন এডমিনিস্ট্রেটরের (Administrator) অনুমতি পাওয়ার পরই মন্তব্য প্রকাশিত হবে।
দ্বিতীয়ত: কারও আগে করা কোন মন্তব্য যদি আপনি প্রকাশ করে থাকেন, তাহলে তাকে Trusted মন্তব্যকারী হিসেবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মনে করা হবে। আপনি নিজে যে নিয়মটি পছন্দ করেন, তা এখানে টিকচিহ্ন দিয়ে নির্বাচন করুন।
Comment Moderation- এই অংশটি আপনার ব্লগের নিরাপত্তা ও শালীনতা রক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কোন স্প্যাম মন্তব্য এখান থেকে অনায়াসে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। সাধারণত পুরনো কোন পোস্টে Spam Comment থাকলে তা নিজে Delete করতে হয়। কিন্তু আপনি যদি Don’t discard spam on old posts লেখাটির বামপাশের টিকচিহ্নটি দিয়ে দেন, তাহলে তা আর হবে না। অর্থাৎ থেকে যাবে। অনেক সময় অনেকে শুধুমাত্র নিজের ব্লগ বা কোন পণ্যের Advertise করার জন্য আপনার ব্লগে মন্তব্য করতে পারে। সেটাও আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। কোন মন্তব্যতে ২টির বেশি লিংক থাকলে তাকে স্প্যাম মন্তব্য হিসেবে সন্দেহ করার সুবিধাটা এখান থেকে পেতে পারেন। কেউ যদি বারবার আপনার ব্লগে বাজে মন্তব্য করতে থাকে, তাহলে তার IP Address,Slang/ Adult word,name, Email ইত্যাদি Filter করুন এই Comment Moderation ও Comment Blacklist অংশ থেকে। নিচের ফাঁকা টেক্সট বক্সে আলাদা আলাদা লাইনে আপনার ফিল্টারকৃত শব্দ বা নাম বা আইপি এড্রেসগুলো লিখুন।
* Privacy: আপনার ব্লগটিকে কি আপনি শুধুমাত্র নিজের পছন্দের মানুষদেরকে দেখাতে চান নাকি বিশ্বের সবার জন্য উন্মুক্ত রাখতে চান তা এই Privacy অংশ থেকে সিলেক্ট করতে হবে। * Media: আপনার ব্লগে যে ,ছবি, ভিডিও ইত্যাদি আছে তা কিভাবে প্রদর্শিত হবে তা নির্ধারণ করুন এই অপশন থেকে।
* Open ID: এখানে আপনি ওপেন আইডি ব্যবহার করে অন্য কোন ব্লগে নিয়মিত লগইন করতে পারবেন। এটা শুধুমাত্র মন্তব্য করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত (Use) হবে। কোন সাইটকে যদি আপনি বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করেন, তাহলে তার নাম নিচের টেক্স বক্সে (Text Box) লিখে রাখুন।
* Domains: আপনার যদি নিজস্ব ডোমেইন থাকে, তাহলে তাকে এই ব্লগে Redirect করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার আর আলাদা করে হোস্টিং কিনতে হবে না। Add a Domain লেখাটির ডানপাশের ফাঁকা জায়গায় আপনার নিজের ডোমেইন নাম লিখে Add domain to blog লেখা বাটনে ক্লিক করুন।
Users অংশে প্রবেশ করলে আপনি প্রথমত:
* Authors & Users
* Your Profile
* Invites
এই তিনটি অপশন (Option) পাবেন। এখানে আপনি প্রথমে কাজ করবেন Authors & Users অংশে।
Authors & Users
* Manage Users:
এই অংশের প্রথমে রয়েছে All Users, এখানে আপনার ব্লগের লেখক (Writer/ Contributor) ও প্রশাসকদের (Administrator0 একটি তালিকা প্রদর্শন করা হবে। যদি আপনিই একমাত্র লেখক হন, তাহলে শুধু আপনার নামই এখানে প্রশাসক (Administrator) হিসেবে প্রদর্শিত হবে। কিন্তু যদি আপনার ব্লগের লেখক একাধিক হয়, ধরি ৩ জন, তাহলে এখানে কে প্রশাসক, কে সম্পাদক (Editor) আর কে লেখক তাদের তালিকা বিস্তারিত তথ্যসহ প্রদর্শিত হবে।
দ্বিতীয় অংশে রয়েছে Administrator (1), এখানে পাশের সংখ্যাটি দিয়ে ব্লগের প্রশাসক সংখ্যাকে বোঝানো হয়েছে। আপনার ব্লগে যতজন প্রশাসক থাকবেন ততজনের তালিকা এই অংশে দেখানো হবে।
(*) Add User From Community: ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ ব্যবহার করে এমন পরিচিত কাউকে আপনি এখান থেকে ব্লগের সদস্য করে নিতে পারেন। User E-Mail: অংশে ব্যবহারকারির ইমেইল লিখুন আর নিচের Roll অংশে তার ভূমিকা কি হবে অর্থাৎ তিনি এই ব্লগের প্রশাসক, সম্পাদক নাকি শুধুমাত্র লেখক হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন তা নির্বাচন করুন। এরপর Add User বাটনে ক্লিক করে তাকে এই ব্লগের সদস্য হিসেবে গ্রহণ করুন।
* Your Profile: এই অংশে যিনি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে লগইন করেছেন তার প্রোফাইল (Profile) পেজের নানারকম খুঁটিনাটি বিষয় পরিবর্তন করা যাবে।
Personal Options:
এই অংশের Visual Editor অংশটিকে ডিফল্ট রেখে দিন। কোনরকম পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। এই অংশের ডানপার্শে রয়েছে ছবি নির্বাচন করার অংশ। এখানে Browse বাটনে ক্লিক করে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে থাকা আপনার ছবিটিকে দেখিয়ে দিন। এরপর Upload Image বাটনে ক্লিক করে ছবিটিকে আপলোড করুন। সাধারণত ১০০ বর্গ পিক্সেলের ইমেজ ফাইল গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়ে থাকে। কিন্তু ছবিটি যদি প্রত্যাশিত মাপের চেয়ে বড় হয় তাহলে তা পাশের ছবির মতো করে কাটার অপশন আসবে। প্রয়োজনীয় অংশটুকু নির্বাচন করে Crop Image বাটনে ক্লিক করে নিন।
Admin Color Scheme: এই অংশে আপনি ব্লগের ড্যাশবোর্ডের জন্য পুরনো রঙের স্টাইল কিংবা নতুন রঙের স্টাইল পছন্দ করতে পারেন।
Browser Connection: এখানে যদি আপনি যখন লগইন করবেন তখন যদি অধিক নিরাপত্তা (Security) চান তাহলে টিকচিহ্ন দিয়ে দিন। স্বাভাবিকভাবেই ওয়ার্ডপ্রেস আপনার একাউন্টের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। তারপরও যদি আপনার মনে কোনরকম সন্দেহ থাকে (যেমন সাইবার ক্যাফেতে (Cybercafe) লগইন করলে বা পিসিতে ভাইরাস (Virus), স্প্যামওয়ার (Spam ware) থাকলে) তাহলে এই অংশের পাশের বক্সে টিকচিহ্ন দিয়ে দিন।
Interface Language: আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের এডমিনিস্ট্রেশন প্যানেলের তথা ড্যাশবোর্ডের (Dashboard) বাক্যগুলো কোন ভাষায় (Language) দেখতে চান তা এখানে নির্বাচন করুন। ড্রপডাউন বাটনে ক্লিক করলে অনেকগুলো ভাষা দেখা যাবে। সেখান থেকে আপনি বাংলা (Bangla) বা ইংরেজি (English) বা নিজের প্রয়োজনমতো যে কোন একটি ভাষা নির্বাচন করতে পারবেন। Primary Blog: যদি আপনার একাধিক ব্লগ থাকে তাহলে প্রাথমিক ব্লগ হিসেবে আপনার নামের পাশে কোন ব্লগের ঠিকানা প্রদর্শিত হবে তা এখানে দেখা যাবে।
এরপরে রয়েছে Name:
এখানে আপনার ব্লগের রেজিস্ট্রেশনের (Registration) সময় যে নাম দিয়েছিলেন তাই Username হিসেবে প্রদর্শিত হবে। এটাকে আপনি পরিবর্তন (Change) করতে পারবেন না, এই নামটি দিয়েই আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে (Wordpress) লগইন করতে হবে। কিন্তু যদি এই নামটি আপনি প্রদর্শন করতে না চান, তাহলে Nickname অংশের নামটি পরিবর্তন করে দিন। এছাড়াও আপনি আপনার নামের প্রথম অংশ ও শেষের অংশ এখানে দিয়ে দিতে পারেন। Save করার পর Display name publicly as অংশে যে নামটি আপনি প্রকাশ্যে প্রদর্শন করতে চান, তা নির্বাচন করে আবারো সেভ করুন।
Contact Info: এই অংশে আপনার ইমেইল এড্রেস (Email Address), ওয়েবসাইট (Website), এবং বিভিন্ন চ্যাটিং সার্ভিসে (Chating Service) যে নামে আপনি পরিচিত তা লিখে দিতে পারেন। এতে ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার (Yahoo messenger) বা গুগল টকে (Google Talk) আপনাকে খুঁজে পাওয়া অন্যদের জন্য সহজ হবে।
About Yourself:
এখানে আপনার সম্পর্কে সামান্য কিছু তথ্য (Information) জনগণকে জানাতে পারেন। আপনার বিবরণ যা আপনি অন্যদেরকে জানাতে চান, তা Biographical info অংশের পাশের ফাঁকা টেক্সটবক্সে (Text Box) লিখে দিন।
New Password:
এইখানে আপনি ব্লগের লগইন পাসওয়ার্ডটি (password) পরিবর্তন করতে পারেন। প্রথমে একটি পাসওয়ার্ড লিখুন, তারপর একই পাসওয়ার্ডকে আবারো নিচের অংশে লিখুন। পাসওয়ার্ডটি কতটুকু শক্তিশালী (Strong) হয়েছে তা নিচের মিটারে প্রদর্শিত হবে।
সবশেষে Update Profile বাটনে ক্লিক করে আপনার যাবতীয় পরিবর্তনগুলো সংরক্ষণ করে নিন।
ওয়ার্ডপ্রেসের ইউজার সেটিংস অংশের তৃতীয় অংশ হলো Invites:
এই অংশের মাধ্যমে ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যবহারকারী নয় এমন যে কাউকে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ ব্যবহার করতে আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন।
এই অংশের নিচে দেখুন ২টি বিষয় আছে যা আপনি আমন্ত্রণ (Invitation) জানানোর আগে টিকচিহ্ন দিয়ে নির্বাচিত করে দিতে পারবেন।
(১) যাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন, তিনি যদি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ওয়ার্ডপ্রেস.কম (Wordpress) এ একটা ব্লগ (Blog) খুলে ফেলে তাহলে তাঁর ব্লগটির ওয়েব ঠিকানা (Web Address/ URL) স্বয়ংক্রিয়ভাবে (Automatic) আপনার ব্লগরোলে (Blog roll) জায়গা পেয়ে যাবেন।
(২) যাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন, তিনি যদি ওয়ার্ডপ্রেসের সদস্য হন অর্থাৎ রেজিস্ট্রেশন করেন তাহলে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ব্লগের একজন লেখক/ সহায়তাকারী সদস্য হয়ে যাবেন। # যদি আপনি এই দুটোর কোনটাই না চান তাহলে টিকবক্সে টিকচিহ্ন দিয়ে দেয়ার দরকার নেই।
শেষে Send Invite বাটনে ক্লিক করে তাকে আমন্ত্রণ জানান।
আজ ৩ পৌষ ১৪১৬ বঙ্গাব্দ, ( বৃহস্পতিবার )
কিভাবে গ্রুপ ব্লগিং করা যায়?
টাইটেলের (Title) নাম হয়তো হতে পারতো, "আপনার বন্ধুকে আপনার ব্লগের সদস্য করবেন কিভাবে?" কিংবা "ব্লগে নতুন লেখক যোগ করবেন কিভাবে?" তাহলে হয়তো আজকের পোস্টের বিষয়ের নামটি অধিক যুক্তিযুক্ত হতো। কিন্তু আসলে বিষয়টি মূলত 'গ্রুপ ব্লগিং' (Group Blogging)। হ্যাঁ বন্ধুরা, আজ আমি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো, তার নাম দেয়া যেতো "কিভাবে গ্রুপ ব্লগ খুলতে হয় (Group Blog)" বা "কিভাবে গ্রুপ ব্লগিং করতে হয়" কিংবা 'গ্রুপ ব্লগিং করার পদ্ধতি' ইত্যাদি।' আসলে গ্রুপ ব্লগ (Blogging) বলতে সাধারণত এমন একটি ব্লগকে বোঝায় যেখানে একই মতাদর্শের বা একই মানসিকতার কয়েকজন বা অনেকে মিলে লেখালেখি করেন। এই ধরণের ব্লগে সদস্য সংখ্যা একের অধিক (More then one) হয়ে থাকে। বাংলা ভাষায় এ ধরণের ব্লগিং এর চর্চা অনেক আগে থেকেই চলে আসছে। সামহোয়ার ইন ব্লগ (Somewhereinblog), সচলায়তন (Sachalayatan), আমার ব্লগ (Amarblog.com), প্রথম আলো (Prothom alo blog), ক্যাডেট কলেজ ব্লগ (Cadet college blog), মুক্তমনা (mukto-mona), টেকটিউনস (Techtunes), কম্পিউটার এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইত্যাদি ব্লগসাইটগুলো (Blog site) এই গ্রুপ ব্লগিং এর ধারণাটাকে বহন করে চলেছে (ক্যাডেট কলেজ ব্লগটি কিন্তু প্রথমে ওয়ার্ডপ্রেসের (Wordpress.com) ফ্রি ব্লগ দিয়েই শুরু হয়েছিল)।
উপরেরর ব্লগ সাইটগুলো নিজেদের নিজস্ব ডোমেইন নিয়ে তৈরি করা। কিন্তু আপনি ইচ্ছে করলে ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগার.কম (Blogger.com) এর ব্লগেও গ্রুপ ব্লগিং বা একাধিক সদস্য নিয়ে লেখালেখি করতে পারেন। এটা বিভিন্নভাবে হতে পারে। বন্ধুদের (Friends) মধ্যে কয়েকজন মিলে, একই স্কুল-কলেজের (School-College) বা ক্লাশের কয়েকজন (Class mate) মিলে, একই রাজনৈতিক মতাদর্শের (Same political view) কয়েকজন মিলে, পাড়ার বা স্থানীয় কয়েকজন মিলে কিংবা পরিবারের কয়েকজন মিলে এই ধরণের ব্লগিং করতে পারেন। কিংবা স্থানীয় কোন পত্রিকাও এভাবে প্রকাশ হতে পারে। যেখানে সাংবাদিকরা সবাই সেই পত্রিকার সদস্য (Blog member) হবেন এবং যেখানে সংবাদ পাবেন, সেখান থেকেই তা পোস্ট আকারে প্রকাশ করবেন। ব্লগার.কম -এ কোন রকমের ঝামেলা ছাড়াই এই ধরণের গ্রুপ ব্লগিং খুব সহজে করা সম্ভব। বাংলা ভাষায় এমন একটি গ্রুপ ব্লগ হল 'Voice of Bangladeshi Bloggers" । এখানে সদস্য রয়েছেন মোট ১৩ জন, তবে ইদানীং খুব কম লেখা এই ব্লগের ব্লগাররা (Blogger) লিখছেন। আর ইংরেজি (English) ভাষায় এরকম একটি জনপ্রিয় (Popular) গ্রুপ ব্লগ হল 'World United Bloggers', এই ব্লগটিতে নিয়মিত সামাজিক (Social), রাজনৈতিক (Political), আঞ্চলিক (Local), আন্তর্জাতিক ((International) বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করা হয়। বিশ্বের একাধিক দেশের ব্লগাররা এই ব্লগের সদস্য (কিন্তু বাংলাদেশের কেউ নেই)। তাদের ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে নিজের মন্তব্য বা পক্ষপাত (Support) তারা জোড়ালোভাবে প্রকাশ করেন। সক্রিয়ভাবে (Actively) দেশ ও দশের পক্ষে নিজের মতকে প্রকাশ করেন।
বাংলা ভাষায় নিজস্ব ডোমেইনের (Own Domain) গ্রুপ ব্লগিং যতটা জনপ্রিয়, ফ্রি প্লাটফরমের (Free Platform) গ্রুপ ব্লগ সেখানে ততোটা নেই বললেই চলে। কেন নেই, সেটা ভাবতেই খারাপ লাগে। নিজস্ব ডোমেইন থাকার অহংকার থেকে কি? যা হোক, ব্লগারে কিভাবে গ্রুপ ব্লগিং করবেন, আজ আমি তা আলোচনা করবো।
উপরের ছবিটি দেখুন। আপনার ব্লগে ড্যাশবোর্ডে (Dashboard) লগইন (Login) করে সেটিংস (Settings)বোতামে ক্লিক করুন। একেবারে ডানপাশে রয়েছে Permissions নামে একটি লিংক বোতাম (Link button) (নীল রঙের গোল দাগ চিহ্নিত)। এখানে ক্লিক (Click) করুন। ব্লগের লেখক (Blog author/ writer) কে বা কারা সে সম্পর্কিত একটি জায়গা আসবে। এখানে ADD AUTHORS লেখাতে ক্লিক করলে নিচে একটি সাদা বক্স (White text box) খুলে যাবে, সেখানে (ছবিতে নীল রঙের আয়তাকার দাগ চিহ্নিত) যাদেকে আপনার ব্লগের লেখক হিসেবে গ্রহণ করতে চান, তাদের ইমেইল ঠিকানা লিখে দিন। এখানে আপনার ইমেইল একাউন্টের (Email Account) মাধ্যমে যাদের মেইল এড্রেস আপনার কাছে রয়েছে তাদের মধ্য থেকেও লেখককে বেছে নিতে পারবেন। আপনি একবারে (At once) একাধিক বন্ধুকে আমন্ত্রণ পাঠাতে পারবেন। শুধু প্রত্যেকের ইমেইল আইডির (Email ID) পরে একটা করে কমা বসিয়ে দিতে হবে। কোন স্পেস দিতে হবে না। এবার INVITE লেখা বোতামে ক্লিক করুন। প্রত্যেকের কাছে আমন্ত্রণ পৌছে যাবে।
আমন্ত্রিত (Invited) লেখক-বন্ধুদের ইমেইল ইনবক্সে (Email inbox) উপরের ছবির মতো একটি আমন্ত্রণপত্র (Invitation) পৌঁছে যাবে। তারা যদি আপনার ব্লগের সদস্যপদ (Membership) গ্রহণ করতে চায়, তাহলে লিংকটিতে ক্লিক (Click) করতে হবে। অর্থাৎ এর মাধ্যমে তিনি আপনার আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন, তিনি সম্মতি প্রদান (Accept invitation) করলেন। এবার তার ব্রাউজারে (Browser) নিচের ছবির মতো একটি পেজ আসবে।
এই পেজে (Page) আপনার লেখক বন্ধুকে তার নিজের গুগল একাউন্ট (Google Account) দিয়ে লগইন (Login) করতে হবে। যদি তাঁর কোন গুগল একাউন্ট না থাকে তাহলে এখানেই তিনি একটি গুগল একাউন্ট তৈরি করে নিতে পারবেন। গুগল আইডি, পাসওয়ার্ড (Password) দিয়ে ACCEPT INVITATION বোতামে ক্লিক করলে তিনি ব্লগারের ড্যাশবোর্ডে (Blogger Dashboard) প্রবেশ করতে পারবেন। সেখানে তিনি তার নিজের অন্যান্য ব্লগের সাথে নতুন সদস্য হওয়া ব্লগটিকেও দেখতে পারবেন।
এবার একটি বিশেষ বিষয় আলোচনা করি। মনে করি, আপনার ব্লগে আপনিসহ দু'জন ব্লগার আছেন। এর মধ্যে অন্যজনের ভূমিকা কি হবে- তা কিন্তু আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে। অর্থাৎ অন্যজন কি আপনার ব্লগের শুধু লেখক (Author) হবেন, নাকি তিনি এই ব্লগের এডমিন (Admin) হবেন। এডমিন হলে এই ব্লগের উপর আপনার মতো তাঁর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। আর যদি শুধু লেখক হন, তাহলে তিনি শুধুমাত্র স্বল্প কিছু সুবিধা পাবেন। নতুন পোস্ট লিখতে পারবেন, আর নিজের পুরনো পোস্টগুলোকে সম্পাদনা (Edit) করতে পারবেন। এডমিনের মতো ব্লগের ডিজাইন বা টেমপ্লেট (Blog Design/ template) পাল্টাতে পারবেন না, নাম পরিবর্তন করতে পারবেন না, নতুন লেখক যোগ করতে পারবেন (Add new writer) না কিংবা অন্যদের লেখা পোস্টগুলোকেও সম্পাদনা (Edit) করতে পারবেন না। নিচের ছবিটি আপনার লেখক বন্ধুর ড্যাশবোর্ড (Dashboard)।
লেখক বন্ধু তার ব্লগার একাউন্টে (Blogger account) লগইন (Login) করলে উপরের ছবির মতো চিত্র দেখতে পারবেন। এই ড্যাশবোর্ড থেকে তিনি অবশ্য নিজে নতুন পোস্ট লেখা, নিজের পুরনো লেখা সম্পাদনাসহ আপনার ব্লগ থেকে নিজেকে বিমুক্ত (Remove self) বা মুছে ফেলতে (Delete) করতে পারবেন।
আর, আপনি যখন লগইন করবেন, তখন Settings এর Permission ঘরে উপরের ছবির মতো লেখকের তালিকা দেখতে পারবেন। এখানে আপনার নাম ও ইমেইল আইডির পাশে Admin লেখা আছে, আর লেখকের নাম ও ইমেইল আইডির পাশে Author লেখা আছে। লাল রঙের দাগ চিহ্নিত লেখা অর্থাৎ Grant Admin Privileges লেখাতে ক্লিক করে আপনি লেখককে এডমিনের অধিকার দিতে পারবেন। আর নীল রঙের দাগ চিহ্নিত অংশে লেখা Remove এ ক্লিক করে লেখককে আপনার ব্লগ থেকে বাদ দিতে/ বহিষ্কার/ বাতিল করতে পারবেন। লাল রঙের দাগ চিহ্নিত লেখাতে ক্লিক করে আপনার ব্লগের লেখক বন্ধুকে এডমিন অধিকার দেবার আগে আর একবার চিন্তা করে নেবেন। কারণ তিনি ইচ্ছা করলে আপনার প্রিয় ব্লগটিকে একেবারে মুছে ফেলতে পারবেন। আর আপনি তা ফেরত পাবেন না।
এখানে উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ডপ্রেসের (Wordpress.com) ব্লগেও আপনি একাধিক লেখক যোগ করতে পারবেন। ব্লগার.কম (Blogger.com) এ যেখানে ব্লগের সদস্যদের মধ্যে দুইরকম অধিকার নির্দিষ্ট করা যায়, সেখানে ওয়ার্ডপ্রেস.কম এ আরও একটি সক্রিয়তা অর্থাৎ 'সম্পাদক' (Editor) নামে একটি পদ বন্টন করা যায়। ওয়ার্ডপ্রেসে খোলা গ্রুপ ব্লগের লেখকরা নিজে লিখতে পারেন, কিন্তু অন্যদের লেখা সম্পাদনা করতে পারেন না। 'সম্পাদক'রা ব্লগের কাঠামোগত পরিবর্তন (Can't edit design) করতে পারেন না, কিন্তু অন্যদের লেখা সম্পাদনা করতে পারেন। আর এডমিন (Edmin) তো সর্বময় ক্ষমতা অধিকারী রয়েছেনই। তবে ওয়ার্ডপ্রেস.কম বাংলাদেশের ইন্টারনেট (Internet) লাইনের প্রেক্ষিতে খুবই কম গতিসম্পন্ন হওয়ায় ব্যবহার করা খুব কঠিন। তাই ওয়ার্ডপ্রেসের কোন টিউটরিয়াল (Tutorial) দিতে পারলাম না। তবে বিষয়টি ওয়ার্ডপ্রেসে একই। সেখানেও ইউজার ঘরে গিয়ে নতুন লেখক যোগ করা, কাকে কোন অধিকার দেবেন, তা নির্দিষ্ট করা ইত্যাদি কাজগুলো করতে হয়।
প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ডপ্রেস কিংবা ব্লগার.কম এ ১০০ জনেরও বেশি লেখককে একটি ব্লগে যোগ করা সম্ভব।
-------- wordpress and bangla
ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে ইনস্টলেশন পর্বেঃ
এখন এফটিপি ক্লায়েন্টের মাধ্যমে আপনার ওয়েব সার্ভারে প্রবেশ করুন। মনে করুন mydomain.co.cc ডোমেইনটি সার্ভারে হোস্ট করে ছিলেন। সার্ভারে প্রবেশ করলে httdocs ও mydomai.... এরকম দুটি ফোল্ডার দেখতে পাবেন। আপনি mydomai.... ডাবল ক্লিক করে প্রবেশ করুন। সেখানে httdocs নামে ফোল্ডার পাবেন ডাবল ক্লিক দিয়ে প্রবেশ করুন। সেখান থেকে wp-includes ফোল্ডারে যান। wp-includes এর ভিতর প্রবেশ করার পর 'languages' নামে একটি ফোল্ডার তৈরী করুন। এবার সেই languages ফোল্ডারের ভিতরে bn.mo ফাইলটি আপলোড করুন। আপলোড হয়ে গেলে ওয়ার্ডপ্রেসের মূল ফোল্ডারে ফিরে আসুন। এবার সেখান থেকে wp-config.php ডাউনলোড করে ফাইলটি খুলুন ।
লগিন করার পর htdocs ও আপনার ডোমেইনের নামে ফোল্ডার দেখবেন। আপনি আপনার ডোমেইনের নামের ফোল্ডারে ডাবল ক্লিক করুন। তারপর htdocs নামে একটা ফোল্ডার দেখবেন। htdocs এ ডাবল ক্লিক করুন, তাহলে আপনি আপনার ব্লগের রুটে প্রবেশ করবেন। এখানে তিনটা ফোল্ডার ও অনেকগুলো ফাইল দেখতে পাবেন।
আপনি wp-content ফোল্ডারে ডাবল ক্লিক করুন। তারপর চারটি ফোল্ডার দেখতে পাবেন, এখানে plugins নামে একটি ফোল্ডার আছে তাতে ডাবল ক্লিক করুন। plugins ফোল্ডারের ভিতর আমরা আমাদের সব ধরনের প্লাগিইনস আপলোড করব। ফাইলজিলার বাম দিকে দেখুন Local site লেখা আছে এবং তার নিচে আপনার পিসির সব ড্রাইভ দেখাচ্ছে। আপনি যে ফোল্ডারে প্লাগিইনস গুলো রেখে সে ফোল্ডারে যান। (সব প্লাগিইনস অবশ্যই এক্সট্রাক্ট করা থাকতে হবে। যদি না থাকে এক্সট্রাক্ট করে নিবেন।) যাওয়ার পর প্লাগিইনস গুলো সিলেক্ট করে রাইট ক্লিক চাপুন তারপর আপলোডে ক্লিক করুন। তাহলেই আপলোড শুরু হয়ে যাবে।
প্লাগিইনস আপলোড করা শেষ। এখন দেখব কিভাবে এই প্লাগিইনস গুলো ইন্সটল/এ্যাকটিভ করব। এই কাজ করার জন্য আপনাকে ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করতে হবে। আপনার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনার ব্লগের ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করুন।
তারপর প্লাগিইনসে ক্লিক করুন। আপনি আপলোডকৃত সব প্লাগিইনসের লিস্ট দেখতে পাবেন।
সক্রিয়করন এ ক্লিক করে প্রত্যেকটি প্লাগিইন এ্যাকটিভ করুন। তাহলেই প্লাগিইনস গুলো ইন্সটল/এ্যাকটিভ হয়ে যাবে।
Banglakb ও আরো কিছু প্লাগিইনসের ক্ষেত্রে আরো কিছু কাজ করতে হয়। প্রত্যেকটি প্লাগিইনসের সাথে readme ফাইল দেয়া থাকে তা ভাল করে পড়লেই বাকি কাজটুকু কিভাবে করতে হবে তা বুঝতে পারবেন।
=====

No comments:

Post a Comment