dashboard in blogger.com
Dashboard
Dashboard অংশটিই হলো ব্লগারে আপনার Accoun ও Control Panel। আপনি ব্লগকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রয়োজনীয় Button পেয়ে যাবেন।
Blogger Login করুন।আপনার gmail account দিয়ে log-in করা যাবে।
ডানপার্শ্বে রয়েছে চারটি বাটন। Dashboard | My Account | Help | Sign out
এই চারটির মধ্যে প্রথমটির মধ্যে আপনি রয়েছেন। MY Account ও Help অংশ নিয়ে আমরা পরবর্তীতে আলোচনা করবো।
Manage Blogs (35 total): এখানে আপনার ব্লগগুলোর Bloglist দেখাবে। ৩৫ লেখা থাকার কারণ এই ড্যাশবোর্ডের অধীনে ৩৫টি ব্লগ রয়েছে। যার Accountgএ যতগুলি ব্লগ খোলা হবে, তার একাউন্টে ততো সংখ্যা লেখা থাকবে।
এই বরাবর ঠিক ডানপার্শ্বে লেখা রয়েছে Create a Blog – Help: এখানে Create a Blog লেখাটিতে ক্লিক করে এই নিয়মে আরেকটি ব্লগ তৈরি করতে পারেন।
Manage Blogs ও Dashboard এতে রয়েছে: New Post– Edit Posts – Settings – Layout – View Blog
New Post: New Post লেখার জন্য।
Edit Posts: Post Edit করার জন্য।
Settings: Settings আপনার blogএর control panel.
Layout: Template,clour,font পরিবর্তন করতে পারবেন।
View Blog: Account এর ভিতরে থেকে blog দেখা।
Profile
Profile আপনার পরিচিতি (Identity)।
Title:- Articleএর টাইটেল লিখা।লেখার সব সুবিধা আছে
tooltip
প্রত্যেকটা বাটনে Tooltip রয়েছে, ফলে যে কোন একটা বাটনের উপর মাউজের পয়েন্টারটিকে নিয়ে গেলে সেই বাটন কি কাজ করতে পারে, তা লেখা পড়ে বোঝা যাবে।
* শিকলের ছবিযুক্ত বাটন দিয়ে কোন একটা Link লেখার মধ্যে বসাতে পারবেন।
* ইংরেজিতে লিখলে বানান ঠিক করতে পারবেন টিক চিহ্ন ও ABC লেখা বাটনটি দিয়ে।এর পাশের বাটনগুলি হলো Picture,Video) Upload করার বাটন।
# ছবি আপলোড করার জন্য পাহাড় ও নীলাকাশের ছবিযুক্ত বাটনটি Press করুন। নিচের মতো একটি অংশ আসবে।
Add an image from your computer.(1 picture)
Add another image.(more picture)
add an image from the web.(from internet,web)
Direct Web Link.
ছবিটিকে পোস্টের বামে-ডানে নাকি মাঝখানে রাখতে চান (Alignment) তা Choose a layout অংশে সিলেক্ট করুন। কোন অংশে রাখতে না চাইলে None লেখা অংশটিতে ডট মার্ক দিয়ে দিন।
Image size: পোস্টে ছবির আকার।
# ব্লগারে ভিডিও Video Upload/ Hosting করাও কঠিন কিছু নয়। Film ছবির মতো বাটনটিকে ক্লিক করলে ভিডিও আপলোড করার অপশন আসবে।
# সব শেষে রয়েছে ইরেজার বাটন। এই বাটনের মাধ্যমে আপনি যেকোনরকমের ভুল কোডকে মুছে ফেলতে পারবেন।
# পোস্টের এই নিচের অংশ থেকে পোস্টের তারিখ সংশোধন করে দিতে পারেন। যদি পুরোনো তারিখ লিখে দেন, তাহলে পুরনো আর্কাইভে (Archive) এই লেখাটি সেভ (Save) হয়ে যাবে। আর যদি ভবিষ্যতের কোন তারিখ লিখে দেন, তাহলে তা ভবিষ্যতের ওই নির্দিষ্ট তারিখের নির্দিষ্ট সময়ে প্রকাশ হবার জন্য সিডিউল হয়ে থাকবে।
EDIT POSTS
যদি কোন লেখাকে প্রকাশ হবার পরবর্তীতে সংশোধন করতে চান, তবে এটা ব্যবহার করতে হবে।
ব্লগারে লগইন Login করে Dashboad ব্লগনামের Blogname পাশে Edit posts লেখা জায়গায় Click করলে সরাসরি আপনি উপরের ছবির মতো একটি পেজে চলে আসবেন। এখানে আপনার লেখা ব্লগের পোস্টগুলো Date অনুযায়ী সাজানো হয়ে থাকবে। এই পেজে কতটি পুরনো লেখা দেখাবে, তার সংখ্যা ডানপাশের Posts Per Page লেখা অংশের পাশের Drop down menu থেকে সিলেক্ট করতে পারবেন। ৫, ১০, ২৫, ৫০, ১০০ বা ৩০০টি সংখ্যাক পুরনো পোস্ট দেখার সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
* প্রকাশিত, ড্রাফট করে সেভ করে রাখা, ভবিষ্যতে প্রকাশের জন্য সিডিউল করে রাখা ইত্যাদি প্রকার পোস্ট আলাদা আলাদাভাবে দেখা যাবে Your Posts: All, Drafts, Scheduled, Imported, Published লেখা অংশ থেকে।
* প্রত্যেকটা পোস্টের বামপাশে রয়েছে Edit এবং View, এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট লেখাটিকে সম্পাদনা (Edit) করতে পারবেন।
* বামপাশে উপরে লেখা New Post নামক বাটনটি দিয়ে আপনি নতুন পোস্ট লেখা শুরু করতে পারবেন।
MODERATE COMMENTS
এই অংশে আপনার ব্লগে করা Comments দেখতে পারবেন। কোন মন্তব্যকে বাতিল বা গ্রহণ ইত্যাদি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
settimgs
ব্লগারের Dashboard,Settings হলো এর প্রধান অংশ। এইখাতে থাকা বিভিন্ন বাটনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ব্লগটিকে সঠিকভাবে সকলের নিকট উপস্থাপন করতে পারবো।
এখানে Submenu হল:-
Basic
Publishing
Formatting
Comments
Archiving
Site Feed
Email
* Basic: ব্লগের কিছু সাধারণ প্রাথমিক সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন এখান থেকে।Title,Description এখান থেকে দিতে পারবেন।
· Add your blog to our listings? Yes.
· Let search engines find your blog? Yes.
· Show Quick Editing on your Blog?: এটার উত্তরও হবে হ্যাঁ। এর ফলে আপনি ড্যাশবোর্ডে না ঢুকেও ব্লগের ফ্রন্টপেজ থেকে লগইন করে কোন পোস্টকে সম্পাদনা করতে পারবেন।yes
· Show Email Post links?: এর মাধ্যমে কোন একটি পোস্টকে ব্লগপাঠকরা সরাসরি তাদের বন্ধুকে ই-মেইল করে পাঠাতে পারবে।
· Adult Content? No.
· Global Settings (Applies to all of your blogs.) নামে একটি অংশ আছে। এই অংশের অপশনগুলো আপনার সব ব্লগের জন্য প্রযোজ্য হবে।yes.
· Show Compose Mode for all your blogs?: এর মাধ্যমে আপনি যেমন দেখছেন ঠিক তেমনভাবেই লেখাগুলো প্রকাশিত হবে। একে সংক্ষেপে wysiwyg editor বলে।yes.
· Enable transliteration?: পোস্ট লেখার সময় আপনি যদি ইংরেজিতে লেখেন তাহলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য ভাষায় পরিবর্তন করা।no.
· Save Settings: সবশেষে Save Settings বাটনে ক্লিক করে আপনার পরিবর্তনগুলো সেভ করে নিন।
Yes.
· Delete This Blog: এই বাটনে ক্লিক করুন। ব্লগারের প্রশ্নের উত্তরে হ্যাঁ বলে ব্লগটিকে মুছে দিন।
No.
Other option.
* Publishing
* Formatting
* Comments
* Archiving
* Site Feed
* Email
* OpenID
* Permissions
* Publishing:
যদি আপনি আপনার বর্তমান ব্লগের url নিয়ে সন্তুষ্ট না হন, যদি কোন ভুল হয়ে যায়, তাহলে তা সংশোধন পারবেন এখানে।
* Formatting:
এই অংশে রয়েছে নানারকম সুবিধা। মোট ১১টি অপশন এখান থেকে Select করে নিয়ে আপনার ব্লগকে পাঠকদের জন্য অধিকতর আকর্ষণীয় করতে পারবেন।
Formatting অংশের বিভিন্ন অপশনগুলো হলো:
# Show: আপনি ব্লগে একসাথে কতটি Post Show করতে চান তা নির্বাচন করতে পারবেন এখান থেকে।
# Date Header Format: Date দেখাবে কিভাবে তা এখানে নির্বাচন করুন।
# Archive Index Date Format: ব্লগের আর্কাইভ প্রদর্শনের সময় তা কিভাবে প্রদর্শিত হবে তা নির্বাচন করুন এখান থেকে।
# Timestamp Format: সময় কিভাবে দেখাবে, ব্লগ পোস্টের সময়ের সাথে সাথে কি বার প্রদর্শন করতে চান? তা নির্বাচন করুন এই অপশন থেকে।
# Convert line breaks: এটা Yes নির্বাচন করতে হবে। যারা একটু এডভান্স ব্যবহারকারী এই অংশটুকু তাদের কাজে লাগবে।
# Show Title field: এটা Yes নির্বাচন করতে হবে। আপনার নতুন পোস্টের টাইটেল রাখবেন কি না তা এখানে থেকে নির্বাচন করুন।
# Show Link fields: নতুন পোস্টের টাইটেলে পোস্টের লিংক ছাড়া অন্য কোন লিংক ব্যবহার করতে চান কি? তাহলে এই অংশে 'হ্যাঁ' নির্বাচন করুন। না চাইলে ডিফল্ট 'না' No রেখে দিন।
# Enable float alignment: এই অংশটুকুতে ডিফল্ট হ্যাঁ রেখে দিন।
# Post Template: আপনার প্রতিটি পোস্টে যদি Same Word বা Code দিতে চান, তাহলে তা প্রত্যেকবার টাইপ করা থেকে বাঁচার জন্য এই অংশে তা লিখে দিতে পারেন। আপনার Signature.
Settings-3
Blog Visitor অংশগ্রহণ বাড়াতে মন্তব্য করার ঘরটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ।Wordpress বিশ্বের প্রতিটি ব্লগে ব্লগ ভ্রমণকারীদের মন্তব্য করার সুবিধা Automatic দেয়া থাকে।
Comments: ব্লগের মন্তব্যসমূহ দেখানো হবে কি না কিংবা পাঠককে আপনি মন্তব্য করতে দিতে চান কি না তা এখানে চিহ্নিত করুন।
* Who Can Comment?: কাকে মন্তব্য করতে দিতে চান, তা এখানে নির্বাচন করুন। সবার জন্য উন্মুক্ত রাখতে চাইলে Anyone - includes Anonymous Users সিলেক্ট করুন।
* Comment Form Placement: মন্তব্য করার ঘরটি কোথায় রাখতে চান তা এখানে নির্বাচন করতে হবে।
* Comments Default for Posts: এটা ডিফল্ট হিসেবে রেখে দেয়াই শ্রেয়।
* Backlinks: এখানে Show রেখে দেয়া ভালো। এতে কেউ যদি তার ব্লগ/ওয়েব সাইটে আপনার Post Reference হিসেবে উল্লেখ করে, তাহলে তা জানা যাবে।
* Backlinks Default for Posts: এটাও Default রেখে দিন।
* Comments Timestamp Format: মন্তব্যর পাশে সময়।
*Comment Form Message: মন্তব্য'র ঘরে আপনি কি মন্তব্যকারীর উদ্দেশ্যে কোন কথা বলতে চান? তাহলে তা এখানে লিখে রাখুন।
* Comment moderation: আপনি কি কোন মন্তব্য প্রকাশিত Publish হবার আগে একবার পড়ে নিতে চান? তাহলে এই অংশে Always সিলেক্ট করুন।
* Show word verification for comments?: নিরাপত্তার জন্য yes দিন।
* Show profile images on comments?:
মন্তব্যকারীর ছবি প্রদর্শন।
* Comment Notification Email: যে কেউ আপনার ব্লগে মন্তব্য করুক না কেন, সঙ্গে সঙ্গে আপনার E Mail Address একটি খবর পৌছে যাওয়ার আশা কি আপনি করেন? তাহলে এক্ষুনি এখানের Textbox আপনার ইমেইল লিখে দিন।
পরিবর্তনগুলোকে সবশেষে Save করুন।
Settings-4
* Archiving
* Site Feed
* Email
* OpenID
* Permissions
Archive:- এখানে আপনার Blog Posts কিভাবে আর্কাইভ করে রাখা হবে তা নির্বাচন করতে হবে।
Enable Post Pages, এই অংশে Yes দিন।
* Site Feed
এটা সাধারণত Full হিসেবে ডিফল্ট থাকে। Full ছাড়াও Short এবং None সিলেক্ট করার সুবিধা আছে। কিন্তু Full রেখে দেয়ার সুবিধা অনেক রয়েছে। আপনি যদি কোন Third Party মাধ্যমে আপনার ব্লগের ফিড (Feed) তৈরি করেন, তাহলে সেখানে তৈরি হওয়া লিংকটি Post Feed Redirect URL এর ঘরে দিয়ে দিতে পারেন। এতে আপনার ব্লগের পোস্টগুলি বিভিন্ন Search engine খুব দ্রুত সাবমিট Submit করা হবে।এর সবগুলোকে Full সিলেক্ট করে রাখতে হবে।
* Email:-
Blogger.com এমন একটি বিশেষ সুবিধা দিয়েছে যার মাধ্যমে আপনি/অন্য-কেউ ব্লগারে লগইন না করেও সরাসরি ইমেইল করে পোস্ট করতে পারবেন।
* OpenID
Open ID দিয়ে আপনি যে কোন ব্লগে login করতে পারবেন।নূতন ভাবে account করতে হবে না।
* Permissions
এই অংশে দুটো অপশন আছে। প্রথম অংশ হলো
Blog Authors: আপনি যদি Group Blogging করেন, তাহলে ব্লগারের এই অপশনটি আপনাকে ব্যাপক সুবিধা দেবে। ১০০ জনেরও বেশি সদস্য একসাথে একটি ব্লগ ব্যবহার করে নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন। এ জন্য Add Authors লেখা বাটনে ক্লিক করে বন্ধু বা ব্লগ লেখকের ই মেইল এড্রেসটি লিখে Invite বাটনে প্রেস করে একটা Invitation পাঠিয়ে দিন। বন্ধু/ ব্লগ লেখকের ইমেইল ঠিকানায় একটি আমন্ত্রণলিপি পৌঁছে যাবে। তিনি যদি এই আমন্ত্রণলিপিটিকে গ্রহণ করেন, তাহলে তিনি আপনার ব্লগের সদস্য হয়ে যাবেন। ব্লগারে তারও একটি একাউন্ট Account খুলে যাবে। তিনিও ব্লগে সাধারণভাবে ব্লগ লেখা পোস্ট করতে পারবেন। তবে, তিনি আপনার ব্লগের কোন Administration সুবিধা পাবেন না। এটা নিরাপত্তার জন্য সুবিধাজনক, এর ফলে তিনি আপনার ব্লগের কোন সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন না। অবশ্য বিশ্বাসযোগ্য হলে তাকে আপনি ব্লগের Administrative সুবিধা দিয়ে দিতে পারবেন, তবে সেক্ষেত্রে যে কোনরকম সমস্যার দায়ভার আপনাকে পোহাতে হবে।
Blog Readers: এই অংশটি দিয়ে আপনার ব্লগটিকে দৃশ্যমানতা তিনভাবে প্রকাশ করতে পারবেন।
Anybody, Only people I choose, Only blog Authors
Anybody- সিলেক্ট করলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যে কেউ আপনার ব্লগটিকে পাঠ করতে পারবেন।
Only people I choose- শুধুমাত্র যাদেরকে আপনি আমন্ত্রণ পাঠাবেন, শুধুমাত্র তারাই ব্লগটি পাঠ করতে পারবেন।
Only blog Authors- একেবারে Private Blogging এর জন্য এই অংশের পাশে চেকমার্ক দিয়ে সেভ (Save) করুন। তাহলে এই ব্লগ আপনি ছাড়া আর অন্য কেউ দেখতে পারবে না।
Lay-out option-1
* Page Elements
* Fonts and Colors
* Edit HTML
* Pick New Template
# Page Elements: এই পেজ এলিমেন্ট হলো আপনার ব্লগে থাকা বা লাগানো বিভিন্ন উপাদানের সমাহার। নিচের ছবিটি লক্ষ্য করে দেখুন। এটা বাংলা হ্যাকস ব্লগের পেজ এলিমেন্ট অংশ। এখানে ব্লগের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরণের প্রয়োজনীয় Gadget লাগানো হয়েছে।
Add a Gadget:- বাটনে ক্লিক করলে নিচের ছবির মতো আর একটি উইন্ডো ওপেন হবে।
এখানে Blog List, Followers, Link List, AdSense, Text, HTML/JavaScript, Feed, Blog Archive, Page Header ইত্যাদি নানারকম Gadget রয়েছে। এখান থেকে আপনার পছন্দ ও প্রয়োজনমতো Gadget নিয়ে ব্লগে স্থাপন করতে হবে। প্রয়োজনীয় Gadgetটিতে ক্লিক করলে সেই গেজেটের অপশনফিল্ড ওপেন হবে। সেখানে আপনার মনমতো পরিবর্তন করে সেভ (Save) করুন।
# Fonts and Colors: এই অংশে আপনার ব্লগের শরীরের বিভিন্ন উপাদানের Color ও Font পছন্দ অনুযায়ী পরিবর্তন করতে পারবেন। এই অংশটিও ব্লগভেদে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যে রকম Template যেসব সুবিধা রয়েছে সেইসব Design ও সুবিধা অনুযায়ী ব্লগের বিভিন্ন অংশের রং পরিবর্তন করার অপশন এখানে থাকবে।এই অংশে সাধারণভাবে আপনি আপনার ব্লগের Body color,Sidebar Color, Text Color,Link color, Visited Link color, ইত্যাদি Change করতে পারবেন।
# Edit HTML: ব্লগারের লেআউট অংশের Edit HTML লেখাতে ক্লিক করলে নিচের ছবির মতো একটি পেজ আসবে। এই অংশটাই ব্লগারের Edit HTML অংশ। এখানে নানারকম পরিবর্তন করে আপনার ব্লগকে বিভিন্নরকম ডিজাইনের অবয়ব দিতে পারবেন।
1. Html পরিবর্তন করে আপনার ব্লগটিকে যে কোনরকম পরিবর্তন করার আগে নিরাপত্তার জন্য বর্তমান টেমপ্লেটটি Save করে রাখা প্রয়োজন।Download Full Template লেখাটিতে Click করে আপনার বর্তমান টেমপ্লেটটিকে Current template Download) করে কম্পিউটারের Harddisk সেভ করে রাখুন। এই টেমপ্লেটটির এক্সটেনশন হবে ******.xml। কোনরকম ভুল হয়ে গেলে xml ফাইলটিকে Upload করে পুরনো টেমপ্লেটটিকে ফিরে পাওয়া যাবে।
2. এই অংশ দিয়ে xml এক্সটেনশনযুক্ত কোন টেমপ্লেট ফাইলকে আপনার Blog Design হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। Browse লেখা বাটনটিতে ক্লিক করে হার্ডডিস্কে থাকা xml ফাইলটিকে দেখিয়ে দিন এবং Upload লেখা বাটনে ক্লিক করুন। প্রয়োজনীয় সময় শেষে নতুন টেমপ্লেটটি আপনার ব্লগে Install হয়ে যাবে।
3. এই অংশটি আপনার ব্লগের মূল Body। এখানে থাকা কোডগুলোতে (Codes) নানারকম পরিবর্তন করে আপনার ব্লগের ডিজাইন বিভিন্নরকমভাবে পাল্টাতে পারবেন।
4. কোনরকম পরিবর্তন যদি ফেলেন, যা আর কার্যকর Active করতে চাচ্ছেন না, তাকে বাদ দেয়ার জন্য Clear Edits লেখাটিতে ক্লিক করুন।
No comments:
Post a Comment